Sunday, November 11, 2018

সুষ্ঠু নির্বাচনই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী


বাসস, ঢাকা
 
আপডেট: ১১ নভেম্বর ২০১৮, 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি: ফোকাস বাংলাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি: ফোকাস বাংলাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতন্ত্র জোরদার এবং অব্যাহত উন্নয়নের স্বার্থে তাঁর সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠান নিশ্চিত করা।
আওয়ামী যুবলীগের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আজ রোববার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠান করা আমাদের লক্ষ্য। আমি আশা করি অন্যান্য রাজনৈতিক দলও এই নির্বাচনে অংশ নেবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটাই বাস্তবতা যে নির্বাচনে অংশ না নিলে একটি রাজনৈতিক দলের শক্তি হারায়। আমরা আশা করি অন্যান্য রাজনৈতিক দলও নির্বাচনে অংশ নেবে এবং এর মাধ্যমে গণতন্ত্র অধিকতর শক্তিশালী ও দেশের আরও উন্নয়ন হবে।’
নির্বাচন দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার অনেক মেগা প্রকল্প নিয়েছে এবং দারিদ্র্য বিমোচনের অঙ্গীকার করেছে, ‘যদি আমরা ক্ষমতায় আসতে না পারি তাহলে কেউ এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে বাংলাদেশে উন্নয়নের ধারা চালু করেছি। আমরা দারিদ্র্যের হার ৪১ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশে নামিয়ে এনেছি। যদি আমরা আবার ক্ষমতায় আসতে পারি, তাহলে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দারিদ্র্যের হার ৪/৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। তখন আমরা বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত বলতে পারব।’
যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ বক্তব্য দেন। এর আগে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতারা ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।




♦personal blog by sayeduzzaman parvez
সাইদুজ্জামান পারভেজ 

আ.লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন মাশরাফি


ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম নিচ্ছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ছবি: দীপু মালাকারওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম নিচ্ছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ছবি: দীপু মালাকারআসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
আজ রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে গিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম নেন মাশরাফি।
ফরম নেওয়ার পর বিজয় সূচক ‘ভি’ চিহ্ন দেখান মাশরাফি। ছবি: দীপু মালাকারফরম নেওয়ার পর বিজয় সূচক ‘ভি’ চিহ্ন দেখান মাশরাফি। ছবি: দীপু মালাকারমাশরাফির বাড়ি নড়াইল শহরে। নড়াইল-২ আসন থেকে মাশরাফির আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
মনোনয়ন ফরম কেনার আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গণভবনে যান মাশরাফি। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সালাম করে দোয়া নেন।
মাশরাফি আজ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন—এমন খবরে আগে থেকেই তাঁর সমর্থকেরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।





personal_blog_by sayeduzzaman parvez

সাইদুজ্জামান পারভেজ

Saturday, November 3, 2018

সংলাপের মধ্যে আবার আন্দোলনের ডাক কেন?


‘অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে একাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এজন্য অপমান সয়েও দেশের মানুষের কথা ভেবে সংলাপে বসেছি।
তাদের বক্তব্য শুনেছি, সংবিধান মেনে যতোটুকু সম্ভব তাদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা যখন সংলাপে বসছে তখনই আবার আন্দোলনেরও ডাক দিচ্ছে। এটা কিভাবে দেখবো? সেটা দেশবাসীর ওপর ছেড়ে দিলাম। ’
শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে (কেআইবি) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত জেল হত্যা দিবসের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে সংলাপে বসার জন্য আমি তাকে ডাকলাম। তাকে ফোন করলাম, তিনি ধরলেন না। ফিরতি ফোন করার মতো ভদ্রতাও দেখাননি। এরপর আমি আবারও ফোন করি, কী ধরনের অকথ্য গালিগালাজ করা হয়েছিলো আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে। এরপর, নির্বাচন হলো।

‘২০১৫ সাল, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে যখন মারা গেল; আমি গেলাম সন্তানহারা একজন মাকে মায়ের জায়গা থেকে সান্তনা দিতে। এটা এমন এক সময় যখন খালেদা জিয়া থ্রেট করেছে আমাদের সরকারকে উৎখাত না করে ঘরে ফিরবে না। তারপরও আমি গেলাম, কারণ আমি একজন মা। ’
‘অথচ সমবেদনা জানাতে যাওয়ার পরও মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল। ভেতরে গাড়ি ঢুকতে দেবে না। আমি বললাম আমি ছোট গেট দিয়ে যাবো। সে গেটটাও বন্ধ করে দেওয়া হলো। এরকম একটা অপমান, তারপরও আপনারা দেখেছেন; সবকিছু জেনেও, হয়ত ভুলতে পারবো না- সহ্য করে, চেয়েছি আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ হয়, কোন সন্দেহ না থাকে তাই সংলাপ হোক। ’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট থেকে সংলাপের জন্য চিঠি দেওয়া হলো, আমি স্বাগত জানালাম। ময়মনসিংহে মিটিং করে, তারপর এসেও আমি আলোচনা করেছি। ঐক্যফ্রন্ট-যুক্তফ্রন্ট দুইটা গ্রুপের সঙ্গে আমাদের মিটিং হয়ে গেছে। এরপর আরো সকলের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব। তারা আলাপ করতে চেয়েছে, সংলাপ করতে চেয়েছে; আমরা করেছি। তারা যে দাবি করেছে, আমাদের পক্ষে সংবিধান মেনে যতটুকু সম্ভব আমরা মেনে নেওয়ার কথা বলেছি। ’
‘তারা রাজবন্দীদের মুক্তি চেয়েছে। আমি বলেছি তালিকা দেন, যদি খুনের মামলা না থাকে; আমরা সেটা দেখবো। ২০১৪ সালে খালেদা জিয়া যখন মানুষ পুড়িয়ে মারছিলেন তখনই তো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারতাম, করিনি। আমরা কাউকে রাজবন্দী করিনি। বরং আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন, তাদের বানানো রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন, তাদের বানানো সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদ, তাদেরই বানানো বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফখরুদ্দীন খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়েছিলেন। বিএনপিই তো ক্ষমতায় এসে তাদের বসিয়েছিলো। আরেকজন মইনুল হোসেন। তাদের বর্তমান একজন উপদেষ্টা, তত্বাবধায়কের সময় সম্ভবত সে ছিল আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।   সেই মামলা তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিলো। ’
এখানে সরকারের কিছু করার নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলা মামলা ১০ বছর ধরে চলেছে। সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কোন দুরভিসন্ধি যদি থাকতো, মামলা শেষ হতে ১০ বছর লাগতো না। দশ বছর ধরে মামলা চলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হলে আমাদের তো কিছু করার নেই। বিচার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীন, বিচার বিভাগ যে রায় দিয়েছে সেই রায় খালেদা জিয়া সাজা ভোগ করছে। খালেদা তারেক জিয়া শাস্তি হয়েছে, এরা দুর্নীতিতে জড়িত তা জাতির কাছে প্রমাণিত। তারপরও আমি তাদের বলেছি, আপনারা তালিকা দেন, দেখব। আমরা চাই সকলের সকলের অংশগ্রহণে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। ’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশের মানুষকে যেন জ্বালাও-পোড়াওয়ের মতো ঘটনার সম্মুখীন হতে না হয়। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারে। দেশের মানুষ তার ভোটটা দিতে পারে। সংলাপে এসে বেশিরভাগ সময়ই তারা কথা বলেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত তারা কথা বলেছেন, শেষে আমরা কতোটুকু করতে পারবো জানিয়ে দিয়েছি। এই সংলাপ যখন চলছে, তারা আন্দোলনের কর্মসূচি দিচ্ছে? এটাকে দেশ ও জাতি কিভাবে নেবে আমি জানি না।




সাইদুজ্জামান পারভেজ

#ব্লগ এডমিন 

সাইদুজ্জামান পারভেজ

Friday, November 2, 2018

৩২১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী আবারও আওয়ামী লীগ জিতলে দেশে আরো উন্নয়ন হবে

৩২১টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

আবারও আওয়ামী লীগ জিতলে দেশে আরো উন্নয়ন হবে


আবারও আওয়ামী লীগ জিতলে দেশে আরো উন্নয়ন হবে

সারা দেশে ৩২১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসতে পারলে দেশের আরো উন্নয়ন হবে। এ জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়েছেন।
রিপোর্টার:- সাইদুজ্জামান পারভেজ
সাইদুজ্জামান পারভেজ
#ব্লগ_এডমিন

সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা

বিজ্ঞাপন

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাট প্রতিনিধি   
২ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
সুন্দরবনের দস্যুতা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে আরো ছয়টি বাহিনীর প্রধানসহ ৫৪ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট শেখ হেলাল উদ্দীন স্টেডিয়ামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের হাতে অস্ত্র ও গোলাবারুদ তুলে দিয়ে দস্যুরা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছে।
ঢাকা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। এ সময় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে আগে-পরে আত্মসমর্পণ করা ৮৪ জন সাবেক দস্যুর হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।
র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সুন্দরবনে সক্রিয় সর্বশেষ জলদস্যু বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত হলো। আত্মসমর্পণ করে দস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসায় দস্যু এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাও খুশি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করা কয়েকজন দস্যু ও তাদের পরিবারের সদস্য এবং জেলে-ট্রলার মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা এ সময় সুন্দরবনে র‌্যাবের ক্যাম্প এবং আত্মসমর্পণ করা দস্যুদের নামে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন।
বনদস্যুদের আত্মসমর্পণ এবং আগে আত্মসমর্পণ করা দস্যুদের পুনর্বাসনের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনে দস্যুবৃত্তিতে থাকা বনদস্যুদের আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সুযোগ দিয়েছিলাম।
এলিট ফোর্স র‌্যাবের দক্ষতার কারণে সুন্দরবন আজ দস্যুমুক্ত। প্রধানমন্ত্রী আজকে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেছেন। দস্যুদের যারা অস্ত্র সরবরাহ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুন্দরবনে আবার কোনো দস্যু বাহিনীর অবস্থান টের পেলে তাদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সুন্দরবনে কোনোক্রমেই আর কোনো জলদস্যু-বনদস্যু বাহিনী সৃষ্টি হতে দেব না।
গতকাল আত্মসমর্পণ করা বাহিনীগুলো হলো সাত্তার বাহিনী, শরীফ বাহিনী, সিদ্দিক বাহিনী, তৈবুর বাহিনী, আনোয়ারুল বাহিনী ও আলামীন বাহিনী। এসব বাহিনী প্রধানসহ ৫৪ দস্যু আত্মসমর্পণের সময় ৫৮টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং তিন হাজার ৩৫১ রাউন্ড গোলাবারুদ জমা দিয়েছে। আত্মসমর্পণ করা এসব দস্যুর বাড়ি বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে জানা গেছে।
২০১৬ সালের ৩১ মে সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু মাস্টার বাহিনী প্রধানসহ ১০ দস্যুর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে দস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে থাকে। এরপর দফায় দফায় দস্যুরা আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এ পর্যন্ত সুন্দরবনের ৩২টি বাহিনী প্রধানসহ ৩২৮ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। আত্মসমর্পণকালে তারা ৪৬২টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২৩ হাজার রাউন্ডের বেশি গোলাবারুদ জমা দিয়েছে।
গতকাল আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বাগেরহাট-৪ আসনের এমপি ডা. মোজাম্মেল হোসেন, বাগেরহাট-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মীর শওকত আলী বাদশা, বাগেরহাট-৩ আসনের এমপি হাবিবুন নাহার তালুকদার, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার প্রমুখ।
#সাইদুজ্জামান_পারভেজ
সাইদুজ্জামান পারভেজ
ব্লগ এডমিন


সাইদুজ্জামান পারভেজ (২)

Time marches on, leaving behind a trail of unfinished desires.

  Life has a way of transferring ahead, whether we're geared up or now not. Days grow to be years, and within the rush of all of it, we ...